রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
১০ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের তথ্য ঠিক নয়, বেশিরভাগ বাঙালি: মিয়ানমার দোকানের টাকা চাওয়ায় বাংলাদেশি যুবককে গুলি করলো এক রোহিঙ্গা রোহিঙ্গা যুবকের জালিয়াতিতে মৃত্যুদণ্ড সোনা মিয়ার, কারামুক্ত হয়ে বললেন ‘জীবনটা নরক হয়ে গেছে’ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৭ বিএনপির মহাসচিবের পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের বিপক্ষে আর কখনও এত কম রানে অলআউট হয়নি অস্ট্রেলিয়া শাড়িকাণ্ড /আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা কক্সবাজারসহ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস পরকালে আপনজন থেকে পালাবে মানুষ কক্সবাজারে মৃত্যুদন্ডের আসামী নিয়ে ‘আয়নাবাজি’

আলোচিত সেই ফারুক সিন্ডিকেটের ১৭ লাখ ৭৫ হাজার ইয়াবা ধ্বংস

এম এ আজিজ রাসেল:

কক্সবাজারে আলোচিত মাদককারবারি সেই ফারুক সিন্ডিকেটের ১৭ লাখ ৭৫ হাজার ইয়াবা ধ্বংস করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব ইয়াবা ধ্বংস করা হয়।

মাদক ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব কুমার বিশ^াস, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেলোয়ার হোসেন শরীফ, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মামুন উল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার) পঙ্কজ বড়–য়া, সহকারি পুলিশ সুপার রাকিবুল রাজা, জেলা গোয়েন্দ পুলিশের অফিসার ইনচার্জ শেখ মোহাম্মদ আলী নাদিম ও কোর্ট ইন্সপেক্টর চন্দন কুমার চক্রবর্তী।

কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দ পুলিশের অফিসার ইনচার্জ শেখ মোহাম্মদ আলী নাদিম বলেন, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম বেশ কিছুদিন ধরে যুবদল নেতা ফারুকের উপর নজরদারি শুরু করে। কক্সবাজারের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় চালানটি ধরতে ছন্মবেশও নিয়েছিল ডিবি পুলিশ। পরে বিগত মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারী) চৌফলদ-ী ঘাটে খালাসের সময় ১৪ লাখ ইয়াবাসহ হাতেনাতে আটক করে ফারুক ও তার সহযোগী বাবুকে। ঘটনার তিনদিন আগে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালানটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে। পরে খালাসের সময় আটক হয়। এর আগে আসা চালানের বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জমা ছিল ফারুকের নুনিয়ারছড়ার বাসায়। জমা ছিল ইয়াবা বিক্রির বিপুল অর্থও। ডিবি পুলিশ অত্যন্ত দক্ষ গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে সেটিও তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়।

ডিবির ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী নাদিম আরও জানান, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সাগরপথ ব্যবহার করে ইয়াবার বড় বড় চালান নিয়ে আসে। এর আগেও একাধিকবার চালান এনেছে তারা। তাদের চক্রের সবাইকে গ্রেপ্তার করতে ডিবির অভিযান অব্যাহত আছে।

পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন, অভিযানে আটকদের কাছ থেকে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। ইয়াবাগুলো কিভাবে এসেছে, কারা কারা এর সঙ্গে যুক্ত এবং তাদেরকে কারা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে সব তথ্য পেয়েছি। আমরা সবাইকে আইনের আওতায় আনবো। নতুন টিম যোগদানের পর থেকে একের পর এক ব্যতিক্রমী মাদকবিরোধী অভিযান করে আলোচনায় আসে ডিবি পুলিশ। ডিবি পুলিশের তৎপরতায় সন্তুষ্ট সচেতন মহল। তবে ডিবির পাশাপাশি থানা পুলিশও তৎপর হলে মাদক নির্মূল আলোর মুখ দেখবে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

উল্লেখ্যঃ গত মঙ্গলবার (ফেব্রুয়ারী) চৌফলদ-ীর ঘাটে খালাস করার সময় ১৪ লাখ ইয়াবাসহ কক্সবাজার ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় ফারুক। এরপর তার বাড়ি থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ নগদ টাকা এবং চাচা শশুরের বাড়ি থেকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযানে আটক করা হয় ফারুকের শশুর আবুল কালাম, শ্যালক শেখ আব্দুল্লাহ, চাচী শাশুড়ি ছমিরা খাতুন এবং স্থানীয় নুরুল আমিন ওরফে বাবুকে।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION